অনন্তশ্চাস্মি নাগানাং বরুণো যাদসামহম্ ।
পিতৃণামর্যমা চাস্মি যমঃ সংযমতামহম্ ॥ ১০.২৯ ॥
সরল ভাবার্থ:
আমি নাগদের মধ্যে অনন্ত (শেষনাগ), জলচরদের মধ্যে বরুণদেব, পিতৃপুরুষদের মধ্যে অর্যমা এবং শাসনকর্তাদের মধ্যে আমি যমরাজ।
১. অনন্ত নাগ: যাঁর সহস্র মস্তকে পৃথিবী অবস্থান করছে। সহনশীলতার পরম সীমা।
২. যমরাজ: মৃত্যু ও বিচারের দেবতা। ন্যায়ের যে অমোঘ শাসন, তা কৃষ্ণ।
৩. বরুণ: জলের দেবতা। বিশালতা ও শুদ্ধির প্রতীক।
যমরাজকে মানুষ ভয় পায়, কিন্তু তিনি আসলে পরম ন্যায়পরায়ণ। এই ন্যায়বোধই কৃষ্ণ। অনন্ত নাগ বা শেষনাগ যেমন পৃথিবীকে ধরে রেখেছেন, আমাদের ধৈর্যও তেমন হওয়া উচিত। বরুণদেবের মতো আমাদের মন যেন স্বচ্ছ ও নির্মল হয়।
মৃত্যু জীবনের এক অনিবার্য সত্য। যমরাজ হিসেবে কৃষ্ণ আমাদের মনে করিয়ে দেন যে আমাদের কর্মের হিসাব একদিন দিতে হবে। এই শৃঙ্খলাবোধই সমাজকে টিকিয়ে রাখে।